চারটি কবিতা

কুমারেশ তেওয়ারী



বৃন্দগান

তবুও শব্দকে শব্দ বলতে গিয়ে যদি
খসে যায় জিভ ফুলের বাগান, যাক

নির্ধারিত মহোৎসবের প্রাণহারিণ ী
আর হরিণীর ভীষণ মোহনীয় নিয়ে
যদি ছন্দরা সব বন্দনা গাইতে গাইতে
নিশ্চিত পতনশীল হয়ে ওঠে
তবে পরম জাবরকাটা আরেকবারের জন্য
ভেঙে ফেলতেই পারে মহাকর্ষের নিয়ম
à¦…à§à¦¯à¦¾à¦•à§‹à§Ÿà¦¾à¦°à ¿à§Ÿà¦¾à¦®à¦“ সোমত্ত বাতাসে ঝুলে থাকা
এলিয়েন পার্টিক্যঠলগুলোর কাছে গুপ্তরহস্ঠশিখে নিয়ে
আবহবিজ্ঞাঠের গলাতে ঝুলিয়ে দিতেই পারে
রাধারঙের মালা

এসব গ্রন্থিল ভাবনা থেকেই একদিন
উঠে এসেছিল জারণ-বিজারঠের নো-ম্যানস ল্যাণ্ড


মিরর এফেক্ট

অথচ ওইসব শূন্যের ভেতরেই থাকে আমার পয়মন্তগুলà¦
নির্ভেজাল গুনিতক নিয়ে যখনই হেঁটে যায় প্রস্তানেঠদিকে
দেখি ডুমুরফুল বাড়িয়ে রেখেছে মুখ
আর গোয়ালঘর থেকে সদ্য বিয়োনো গরুর
মৃদু হাম্বা শুনে ভাবি কী প্রয়োজন আর
আঘাটায় গিয়ে কুড়িয়ে আনা অলীক কুসুম

পলিগ্যামিঠে আস্থা রাখে যে সমস্ত দিন
তাদের দীনতা নিয়ে কোনো উপহাস রাখতে না চাইলেও
সিগারেটের ধোঁওয়া কিন্তু বড়ই অবাধ্য
নদীকে জ্বলতে দেখেও গিটার নিয়ে কোলে
উড়ন্ত কপটতাগুলো ধ্যানমগ্ন রত্রিগাছ হয়ে যায়

সবই তো মায়া! à¦¸à§à¦¬à§€à¦•à¦¾à¦°à§‹à¦•à §à¦¤à¦¿ থেকে ঝকঝকে হয়ে ওঠা
আয়নার দ্রব্যগুন চৈতন্য মেখে ধরে ফেলে সঙ্গমের হাত
আর অর্গ্যাজম থেকে জেগে ওঠে এক অনন্ত সাগর


ভাসান

নৌকার চলন ও ভাসমানতার ব্যাপারে
কারও কারও অজ্ঞতা রয়েই গেছে ষোলোআনা

প্রথমত তারা কিছুতেই ভাবতে চায়না
নদীর নাব্যতার সঙ্গে পুরাণকথার
আপাত কেনো সম্পর্ক নেই
নাব্যতা আসলে এক রঙ্গমঞ্চহৠ€à¦¨ বৈষ্ণবীয় সত্যের নাম
যেখানে পরম্পরার বরঞ্চ অনেকটাই দাবি থাকে
এবং দাবিটি হলো নৌকো ভাসতে গিয়ে
কতটা আনন্দ পাচ্ছে, কতটাই বা বিরক্তিতে
খুলে ফেলতে চাইছে পায়েল
এসব কথা জানার ব্যাপারে প্লবতার
যেন না থাকে কোনো পুরাতাত্ত্ বিক সংস্কার

যদি দেখা যায় নৌকার ভাসমানতা
লগ ইন করে দিচ্ছে তার ভেতরের খোল
তবে বুঝে নিতে হবে মেঘের ভেতরে থাকা
জলসত্র পরাগ চাইছে এবং পয়মন্ত

তবে কেউ নৌকোকে ঋতম্ভরা বলে সম্বোধন করবেন না প্লিজ
তাললেই মার্কেসের হাত থেকে সে পড়বে জাদুদণ্ড


উপত্যকা

আমার তো কোনো কারুবাক আগুন নেই অথবা চারুবাক ফুল
ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হলেও নগ্ন হই, উঠোনে দাঁড়াই

একথা ভালোই জানি মনের জানালা খোলার কথা শুনলেই
বাদামী টেবিল থেকে হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়বে জলের বোতল
তত্ত্বকথা বলতে গেলেই স্বেচ্ছাচঠ¾à¦° এসে
আদর করবে আমার আলজিভ তার মায়াবী আঙুলে

তাই ফর্সা রাতের পর্দার দিয়ে চেয়ে থাকতে থাকতে
মনে পড়ে যায় সেই পায়রার কথা
যার কাছে সাবলীল কথার শুধুই অর্থ ছিল
বাতাসের ক্যানভাসে গড়ে তোলা সবুজাভ সাঁকো

আমার তো কোনো দেবী নেই বা দানবী
তবু মেরুদণ্ড বেয়ে রাতদিন ঝরে পড়ে
দুলন্ত-ঝুলঠ্ত কার্নিসের টেউ আর
পুরুষ্ট আপেল ভর্তি উপত্যকা

ফেসবুক মন্তব্য

Copyrights © 2016 All Rights Reserved by বম্বেDuck and the Authors
Website maintained by SristiSukh CMS
kusumarghya@yahoo.com